ঈমানের যত্ন নিন
লেখক : শাইখ ইমদাদুল হক
প্রকাশনী : উমেদ প্রকাশ
পৃষ্ঠা :ধা
বাঁধাই: পেপার ব্যাক
একটি সবুজ-সতেজ চারাগাছ যেমন অযত্ন-অবহেলায় ধীরে ধীরে তার অপার সম্ভাবনাগুলো সাথে নিয়ে শেষ হয়ে যায়, তেমনই যত্ন না নিলে সতেজ-সক্তিশালী ঈমানও ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে।
একসময় তা অত্যন্ত দুর্বল, এমনকি নিঃশেষ হয়ে কুফরের অতলে নিমজ্জিত হয়। আমাদের দেহের যেমন খাবার প্রয়োজন হয়, রুহ ও ঈমানেরও একইভাবে খাবারের প্রয়োজন হয়। রুহানী খাবারের অভাব হলে ঈমান ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে। রোগ-ব্যাধি যেমন শরীরকে ধ্বংস করে, গুনাহ ও পাপাচার একইভাবে ঈমানকে আঘাত করে, অসুস্থ করে। ঈমানের মৃত্যু ঘটায়।
ঈমানের যত্ন নিতে হয়। যত্ন নিলে ঈমান মুমিনের জীবনকে আলোকিত করে। সে আলো বাড়তেই থাকে। ঈমানী আলো মুমিনকে জান্নাতে পৌঁছে দিয়েই ক্ষান্ত হয়।
কীভাবে নিতে হয় ঈমানের যত্ন, আর ঈমানের ক্ষতিকর উপকরণগুলোই-বা কী তা নিয়ে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরে লিখেছে শায়খ ইমদাদুল হক। সংক্ষিপ্ত হলেও আলোচনা এখানে পূর্ণতা পেয়েছে। শায়খের অন্যান্য বইগুলোর মতো ‘ঈমানের যত্ন নিন’ বইটিও পাঠকদের জন্য উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।
--------------------------
রাগ নিয়ন্ত্রণের সহজ উপায়
লেখক : শায়খ মুহাম্মাদ সালিম ধোরাত (হাফি)
প্রকাশনী : উমেদ প্রকাশ
পৃষ্ঠা : ১৬
বাঁধাই : পেপার ব্যাক
একবার এক সাহাবী এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, হুজুর, আমাকে কিছু নসীহত করুন। জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘কখনো রাগ করো না।’
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, ‘যখন তোমাদের কারও দাঁড়ানো অবস্থায় রাগ চলে আসে তখন সে যেন বসে পড়ে। যদি রাগ চলে যায় তাহলে তো ভালোই, অন্যথায় সে শুয়ে পড়বে।’
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রাগ আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। আর শয়তানকে আগুন হতে সৃষ্টি করা হয়েছে। আগুন পানি দিয়ে নেভানো যায়। অতএব তোমাদের কারও রাগ এলে সে যেন অযু করে নেয়।
-------------------------------
খুশু-খুযু
লেখক : আল্লামা ইবনুল কায়্যিম জাওযিয়্যাহ রহ
প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন
বাঁধাই: পেপারব্যাক
আমাদের আল্লাহ তা’আলা বলেন,
“ঐ সকল মুমিনরা সফল যারা তাদের সালাতে বিনয়াবণত”(সূরা মুমিনুন, ১-২)
.
হুযাইফা (রাদ্বী) বলেন,
“তোমরা তোমাদের দ্বীনের বিষয়সমূহ থেকে সর্বপ্রথম খুশুকে(বিনয়) হারাবে, আর সর্বশেষ হারাবে সালাত। অনেক সালাত আদায়কারী আছে, তাদের মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই। অচিরেই তোমরা মসজিদে প্রবেশ করবে, কিন্তু কোনো বিনয়াবণত সালাত আদায়কারী দেখতে পাবে না।”(মাদারিজুস সালাকিন, ১/৫২১)
.
খুশুই হলো, সালাতের প্রাণ এবং তার সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্য। তাই খুশুহীন সালাত হলো, প্রাণহীন দেহের ন্যায়।
তাই সালাতে খুশু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা খুব দ্রুত হারিয়ে যায় এবং যার অস্তিত্ব অত্যন্ত দুর্লভ। বিশেষ করে আমাদের এ শেষ যুগে তথা আখেরি যামানায়।
সালাতে খুশু তখন হাসিল হয়, যখন অন্তর সালাতের জন্য অবসর হয়। অন্য সব কিছু বাদ দিয়ে কেবল সালাত নিয়েই ব্যস্ত হয় এবং সব কিছুর পর কেবল সালাতকেই প্রাধান্য দেয়। তখন সালাত তার জন্য প্রশান্তি হয় এবং সালাত তার চোখের শীতলতা আনয়নকারী হয়। যেমন রাসূল বলেছেন, ‘আমার চোখের প্রশান্তি দেওয়া হয়েছে সালাতের মধ্যে’ ( মুসনাদ আহমাদ, ৩/১২৮)
.
তো এই খুশু কীভাবে অর্জিত হবে? জানতে পড়ুন ইবন কায়্যিম এর খুশু খুযু
------------------------------
অপরের অনুভূতির প্রতি লক্ষ রেখো
লেখক : মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
পৃষ্ঠা : ১২৮
বাঁধাই : পেপার ব্যাক
কেউ আপনার খিদমতে নিয়োজিত, কখনো কি আপনার খিদমতকারী এ মানুষটির অনুভূতির প্রতি লক্ষ করেন? আপনি কোথাও মেহমান হয়েছেন, মেজবানের অনুভূতির প্রতি খেয়াল করা হয় কি? কিংবা কেউ আপনার বাসায় মেহমান হয়ে এসেছে, তার অনুভূতির যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়টি কি ভাবেন? কেউ আপনার কাছে শিক্ষাগ্রহণের জন্য এসেছে, কেউ আপনার সামনে ভুল করে বসেছে, আপনার প্রতিবেশীদের কেউ অভাবগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও কারও কাছে হাত না পেতে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে—এমন বহু মানুষের নানান অবস্থার প্রত্যক্ষদর্শী আপনি। সত্যিই বলুন তো, এমন নানান অবস্থার মানুষগুলোর অনুভূতির প্রতি লক্ষ রেখে যথাযথ আচরণ দেখানোর বিষয়টা কি আপনার ভাবনায় থাকে?… প্রিয় পাঠক, বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে অপরের অনুভূতির প্রতি লক্ষ রাখার উত্তম শিক্ষাই আপনি পাবেন।