আল্লাহর প্রতি সুধারণা
লেখক : ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া
প্রকাশনী : ওয়াফি পাবলিকেশন
পৃষ্ঠা : ১১২
বাঁধাই: পেপার ব্যাক
জাবের রদ্বি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রসূল ﷺ-কে মৃত্যুর তিনদিন আগে বলতে শুনেছি, “তোমরা অবশ্যই যেন আল্লাহর প্রতি সুধারণা নিয়ে মৃত্যুবরণ করো।”
একজন মুমিনের জন্য যেসব গুণে গুণান্বিত হওয়া অপরিহার্য, তন্মধ্যে ‘আল্লাহর প্রতি সুধারণা’ অন্যতম। এটিই মুমিনের মূল পুঁজি। কেননা, তার যত আমলই থাকুক না কেন, ত্রুটির কোনো শেষ নেই। উপরন্তু, আল্লাহর মহান শানের সম্মুখে পাহাড়সম আমলও ছাইতুল্য। আর গুনাহে নিমজ্জিত বান্দা যখন আল্লাহর শাস্তির কথা স্বরণ করে, তখন তার আশাকেই শেষ অবলম্বন হিসেবে দেখতে পায়। তাই আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখা প্রত্যেক মুমিন মুসলিমের জন্য অপরিহার্য।
কিন্তু আল্লাহর প্রতি সুধারণা বলতে কী বোঝায়? কীভাবে সুধারণা রাখতে হয়? এ বিষয়ে ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া রহ.-এর রচিত حسن الظن بالله বা ‘আল্লাহর প্রতি সুধারণা’ একটি চমৎকার বই। এতে আল্লাহর প্রতি সুধারণা নিয়ে নবীজি ﷺ-এর হাদীস, সাহাবী এবং পরবর্তী প্রজন্মের উক্তি সংকলন করেছেন, দেখিয়েছেন কীভাবে আমরাও আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখতে পারি।
-----------------------
এভাবে আল্লাহর ইবাদত করো
লেখক : আবদুল মালিক আল কাসিম
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
পৃষ্ঠা : ৬৮
বাঁধাই : পেপার ব্যাক
----------------
প্রতিদিন একটি আয়াত
লেখক : ইসমাইল কামদার
প্রকাশনী : ওয়াফি পাবলিকেশন
পৃষ্ঠা : ৪৮
বাঁধাই : পেপার ব্যাক
অনুবাদ: মাসুদ শরীফ
নিরীক্ষণ: মুফতী মাহমুদুল হক
মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনে অনেক কথাই শোনে। কিছু কথা মনে রাখে, কিছু যায় ভুলে। এসবের মাঝে সেই কথাই তার হৃদয়ে গেঁথে যায়, যে কথার বক্তা তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নবীজি (ﷺ)-এর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আল্লাহর কথা। তাঁর বরকত-পূর্ণ জীবনে এমন একটি দিন পাওয়া যাবে না, যেদিন তিনি মানুষকে আল্লাহর কথা বলেন নি। তা সত্ত্বেও আল্লাহর কাছে দুআ করতেন, ‘কুরআনকে আমার হৃদয়ের বসন্ত বানিয়ে দাও।’ (সহীহ ইবনু হিব্বান, ৯৬২)
কারণ, যে অন্তর কুরআন থেকে যত দূরে, সে অন্তর তত বেশি অশান্ত, এর চিন্তাগুলো তত বেশি বিক্ষিপ্ত। আমরা কি চাই না, বিপর্যস্ত মুহূর্তে যখন চারিদিক অন্ধকার হয়ে যায়, তখন কুরআন হোক আমাদের জন্য আশার আলো? হতাশার গোলক ধাঁধায় জীবন যখন সঙ্গহীন, কুরআন হোক আমাদের সেরা বন্ধু? জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে থাকুক কুরআনের ছাপ? আসুন, কুরআনের সাথে হৃদয়ের বন্ধন গড়ি এবং প্রতিদিন পড়ি একটি আয়াত।
------------------
হালাল বিনোদন
লেখক : ইসমাইল কামদার
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
পৃষ্ঠা : ৭৯
বাঁধাই : পেপার ব্যাক
এটা হারাম। ওটা হারাম। এটা করা যাবে না। ওটা করা যাবে না। তাহলে কি ইসলামে বিনোদন বলে কিছু নেই?
হ্যাঁ। আছে।
বিনোদনের শত শত মাধ্যম। কিছু ভালো। কিছু খারাপ। খারাপটা থেকে যদি ভালোটা আলাদা করতে না-পারি তাহলে নিছক আনন্দও হয়ে উঠবে শোচণীয় পরিণতির কারণ। কাজেই, সাবধান হওয়া জরুরি।
বন্যার পানির মতো বিনোদনের হাজারো উপকরণ আসছে। জায়গা করে নিচ্ছে হাতের মুঠোয়। পানি জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু সেই পানি যদি বিশুদ্ধ না-হয়, ফোটানো না-হয়, তাহলেই সেটাই হয়ে উঠতে পারে জীবনঘাতি।
এই বইতে আমরা আপনাকে একটা ফিল্টার দেব। এই ফিল্টারে করে আপনি সব ভালো আর খারাপ বিনোদনের উপকরণগুলো আলাদা করতে পারবেন নিজেই।
আনন্দের পরিশুদ্ধ মাধ্যমগুলো নিয়ে মেতে উঠুন হালাল বিনোদনে…